খেজুর খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা - Merchant Technology 2021

 


খেতে অনেক
সুস্বাদু ও খেজুরে রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। এতে আয়রন, ফলেট, প্রোটিন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি৬, ফলিক অ্যাসিড, আমিষ শর্করা সহ আরও নানা উপাদান রয়েছে।

আমরা ইফতারির তালিকায় খেজুর চাই-ই। রমজান মাস ছাড়াও সারা বছর এই সুস্বাদু ফলের কমবেশি চাহিদা থাকে। তবে ক্ষেত্রে পাকা বিদেশি খেজুরের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। কিন্তু গ্রামাঞ্চলে এখনো টিকে আছে দেশি খেজুর খাওয়ার রীতি। বাজারে দুইয়ের বাইরে শুকনো খেজুরও পাওয়া যায়। সেটিতে প্রোটিন কম থাকে বলে জানিয়েছেন শামসুন্নাহার নাহিদ। তাই খেজুর শুধু সুস্বাদুই নয়, পুষ্টিকরও বটে ৷



কিভাবে খাবেন খেজুর?  
সারাদিন এনার্জি পেতে সকালে খান খেজুর। ব্যায়াম করার ৩০ মিনিট আগেই কয়েকটি খেজুর খেয়ে নিন। এতে দ্রুত হাঁপিয়ে যাবেন না, এবং পেটে থাকা দূষিত পদার্থও দূর হবে। অনেকেই আছেন সারারাত খেজুর পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরদিন সকালে খান। এভাবেও খেতে পারেন খেজুর।  

স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস হিসেবে সুস্বাদু খেজুর খেতে পারেন ঘুমানোর আগে। তবে হজমের কোন সমস্যা থাকলে ভারি খাবার খাওয়ার পর পরই খাবেন না খেজুর। পেটের সমস্যা অর্থাৎ ডায়রিয়া অথবা পাতলা পায়খানা থাকলেও এড়িয়ে চলুন এই ফলটি।

 


খেজুর খাওয়ার উপকারিতাঃ

Ø ইফতারে যারা শরবত খেতে চান না, তাঁরা কয়েকটি খেজুর খেয়ে এর চেয়েও বেশি শক্তি অর্জন করতে পারেন।

Ø খেজুর মানব দেহের হৃৎপিণ্ডের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে তুলে এবং রক্তপ্রবাহে গতি সঞ্চার করে।

Ø আলঝেইমার বা স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার অসুখ প্রতিরোধ করে খেজুর।

Ø বেশ কয়েক ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে খেজুর খান প্রতিদিন।

Ø  খেজুর খেলে ক্ষুধার তীব্রতা কমে যায়। এই ফল পাকস্থলীকে কম খাবার গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করে। অন্যদিকে শরীরের প্রয়োজনীয় শর্করার ঘাটতি পূরণ করে দেয়। ফলে মুটিয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে।

Ø ক্যালসিয়াম হাড় গঠনে সহায়ক। আর খেজুরে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, যা হাড়কে মজবুত করে।

Ø খেজুরে আছে এমন সব পুষ্টিগুণ, যা খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে।

Ø খেজুরে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বক চুল ভালো রাখতে সক্ষম।

Ø খেজুর ডি-হাইড্রেশন রোধ করে।

Ø শরীরে সোডিয়াম-পটাশিয়ামের সমতা রক্ষা করে।

 

খেজুর খাওয়ার অপকারিতাঃ

খেজুর খাওয়ার অপকারিতা সম্পর্কে তেমন কিছু জানা যায় নি। তবে,যাদের ডায়াবেটিস এবং শরীরে পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি রয়েছে, তাদের বেলায় পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে খেজুর খাওয়া উচিত।

v বিস্তারিত আলোচনায় ছিলাম আমি আরমিন সওদাগর।

Post a Comment

1 Comments